নারী
নিয়মিত কার না ভালো? আর বিয়ে, যে কোন বাড়ি বা বাড়ির লোক হলে তো কথাই নেই। পেট পুরে আমরা সকলেই পছন্দ করি। কিন্তু যদি পেট হয়? তাহলে খাবার সব আনন্দই মাটি। পেটের সমস্যা জীবনের সমস্ত স্ফুর্তি নষ্ট করে ফেলতে পারে। তাই পেট কে রাখা অত্যন্ত জরুরী। সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে হজমের শক্তিও বাড়াতে হবে। তাই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হল পেট ব্যাথা।
পেট কাকে বলে?
পেট ব্যাথা আপাত বিশেষ কোন রোগ না দেখা, এর পিছনে অনেক কারণ হতে পারে। ব্যাথার জানতে হলে পেটে আগে আমাদের পেট সমঝোতা সঠিক কারণ থাকতে হবে।
পেট হল পাঞ্জর এবং শ্রোণির (পেলভিস) মধ্যবর্তী জায়গা। এই অংশে পরিপাক ক্রিয়ার সাথে যুক্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অবস্থান করে, যেমন -
- পাক্কি
- লিভার বা যকৃত
- গলব্লাডার
- অগ্নাশয়
- নির্দেশক
- বৃহদন্ত
এই সকল অঙ্গ আমাদের খাবার গ্রহন, হজম এবং পরিপাক খাবারের অবশেষ শরীর থেকে নিষ্কাশনে সাহায্য করে। পেটে ব্যথা পরিপাক তন্ত্রের কোন একটি বা অঙ্গ সংগঠন সমস্যা জানাতে পারে। সবার আগে আমাদের জানতে হবে পেটের ঠিক কোন জায়গায়। পেটে, তলপেতে, নাভির চারপাশে, নাভির উপরে অথবা নাভির উপরে?
তার উপর বিচার করে পেট ব্যাথার সঠিক কারণ নির্ণয় করেন। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সঠিক কারনের জন্য
পেট ব্যাথার সাধারন কারণ
পেট ব্যাথার অনেক কারণ হতে পারে। তবে ডাক্তারদের আলোচনার বিষয় সাধারণ কারণ হল।
- এর কথা
- অম্বলের কথা
- বদহজমের কারনে কথা
- ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন কারণ ব্যাথা
- ভাইরাসজনিত সংক্রমন কারনে পেট ব্যাথা
- আলসার
- গলব্লাডার
- ডাইভারটিকুলাইটিস
কারণ এর কারণ
আমাদের পেটে খাদ্য পরিপাক করার সময় স্বাভাবিকভাবে উপজাতীয় হিসাবে তৈরি হয়। এই শরীর থেকে স্বাভাবিক নিয়মে নির্গত হয়। আঁশযুক্ত (আঁশযুক্ত খাবার) খাবার, ডাল, শাগসবজি ইত্যাদি হজম করার সময় বেশি তৈরি হয়। আমরা আজকাল উহার গুরুপাক আদাভাসে অভ্যাস্ত হয়েছি। এই ধরনের খাবার আমাদের পরিপাক তন্ত্রে অত্যধিক ব্যবস্থা সম্পন্ন করে। শরীরে নির্গমনের থেকে বেশি হারে বিস্তার সম্পন্ন হলে পরিপাক তন্ত্রের মধ্যে সেই জমে থাকে। টানটান পরিপাক ক্রিয়া ব্যার্থ হয়, পেটে যন্ত্রণাও হতে পারে।
প্রথম প্রথমের ব্যাথা বেশিক্ষন বজায় রাখতে হবে না। পরামর্শ দেওয়া যায়। দীর্ঘস্থায়ী অযত্নে হজম যন্ত্রে স্থায়ীভাবে সমস্যা সৃষ্টি হলে এই চিরস্থায়ী হতে পারে। তাই সময় চিকিৎসা শুরু করা উচিত।
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক সময়, চিকিৎসার সাথে খাদ্যভাসের উপর নজর রাখা প্রয়োজন।
অম্বলের কারনে পেট ব্যাথা
আজকাল ছোট শিশু থেকে প্রাপ্ত প্রবীণ মানুষের তেল, মশলা, চর্বি যুক্ত খাবার বেশি দেখাতে থাকেন। এই জাতীয় আলোচনার পরে সাধারণ অম্বলে সমস্যা দেখা যায়। অম্বল সাধারণ উপসর্গ হল -
- পেট ও বুকের মধ্যে প্রভাব।
- পেট ভর করা।
- মুখ টোক হওয়া।
- টক ঢেঁকুর ওঠা।
পছন্দ উপসর্গ দেখা অনেক আমরা নিজে নিজে অ্যান্টান্সিড জাতীয় খাবার গ্রহণ থেকে। সমস্যা থেকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু এই সমস্যা প্রায় থাকতে থাকতে থাকতে চেপে রাখা বা অগ্রাহ্য করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। পরিপাক যন্ত্রে অ্যাসিডের (অমল) নিয়োগ আধিক্য হলে, তা পাকস্থলী এবং হজমের সাথে যুক্ত অন্যান্য অঙ্গের স্থায়ী ক্ষতি করে। তাই অম্বল এবং অম্বল-জাতীয় ব্যাথার সুরাহার জন্য অবিলম্বে উত্তরের কাছে যেতে হবে।
বদহজমের ফলে সমস্যা
আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খাদ্য গ্রহন এবং হজম করার একটি নির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে। সেই ক্ষমতার চেয়ে বেশি খাবার বা গুরুপাক প্রস্তাবনা বদহজম হতে পারে। আমাদের শরীরে শক্তির গুণাগুণ গ্রহন করতে হবে। ফল আমার শরীরে অস্বস্তি, পেটে যন্ত্রণা, মাথাঘোরা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। এই বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি নেই। সেই সাথে প্রয়োজন শরীরচর্চা। পরিপাক তন্ত্রের কোন অংশে কোন রোগ (ইনফেক্সান) দেখতে বদহজম হতে পারে। সঠিক অনুকরণের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ জারুরী। যদি আপনি হন হন তাহলে বদহজমের শিকার হলে পরবর্তীতে ডাক্তার দেখান।
এই ধরনের রোগে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়েটিক এবং অন্যান্য চিকিৎসা করা উচিত। বারং পাতলা পায়খানা এবং বমি হলে শরীর জলে জোবারে যায়। সেই ক্ষেত্রে রোগীকে নুন-চিনির জল (ওআরএস) নিয়মাবলী করে দেখান জরুরী।
ব্যাকটেরিয়া অন্যান্য জীবাণু (মন ছত্রাক) এবং পরজীবী পেটেত্র সংক্রমন করতে পারে। এই সকল ক্ষেত্রেও দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা জরুরী।
আলসার
পাকথালি এবং চেয়ারম্যান আলান্তের ক্ষত কে বলে। বিভিন্ন কারনে এই ক্ষতের জন্ম হয়, যেমন
- দীর্ঘ সময় পেট খালি রাখা।
- পাকক্ষী ব্যাকটেরিয়ার (হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি) সংক্রমন।
- দীর্ঘ জিনিষের জন্য প্রদাহ বিরোধী যুদ্ধের ব্যবহার।
- ছাত্র তলাক্ত, মশলা যুক্ত আলোচনা
- যথেষ্ট দুশ্চিন্তা
আলসারের সাধারণ উপসর্গগুলি হল -
- পেটের দিকে অগ্রগতি ব্যাথা।
- পেটের উপরে ও পেটের মাঝখানে উন্মুক্ত করা।
- পেট কাম করা।
- পাক টক ঢেঁকুর ওঠা।
এই গতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে নিন। প্রাথমিক পর্যায় রোগ পরলে এবং চিকিৎসা শুরু হলে আলসারের সঠিক নিরাময় সম্ভব।
গলব্লাডার
গলব্লাডার একটি ছোট নাসপাতি-র রেডের অঙ্গ যেটি আমাদের পেটের ডেন এর দিকে লিভারের অবস্থান নিচ্ছে। এর থেকে নির্দেশে পিত্ত নিঃসৃত হয় যা হজমে সাহায্য করে। পিত্ত লিভার থেকে নিঃসৃত অতিরিক্ত কলেস্টেরেলকে (কোলেস্টেরল) দ্রবীভূত করে। কিন্তু পরবর্তী দ্রবীভূত না করা বেশ কয়েকটি কলেস্তরেলব্লাডারের মধ্যে ক্রিস্টাল উত্তরে জমাতে থাকে। ডাক্তার এই ক্রিস্টাল শক্ত শক্ত উত্তর লিখুন। পিত্তথলিতে পাথর হলে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন -
- পেটের দিকে এগিয়ে দেওয়া যন্ত্রণা
- আচমকা পেটের মাঝখানে শক্তিশালী যন্ত্র
- ব্যাক পেইন
- বমিভাব
ব্লাডারে গল বিভিন্ন কারনে হতে পারে। আমার মধ্যে প্রধান কারণ যুক্ত হোল অতিরিক্ত তেল মশলা খাবার আলোচনার অভ্যাস। এই রোগের চিকিৎসা সার্জারি করে পিত্তথলি থেকে নক্ষত্র বের করা। সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা না হলে এর থেকে গললারের ক্যান্সারও হতে পারে।
তলপেটের ব্যাথার কারণ
তলপেটে ব্যাথার কিছু বিশেষ কারণ হতে পারে, যেমন -
- মাসিকের জন্য ক্র্যাম্প।
- ডিম্বস্ফোটনের কথা।
- মুত্রনালীতে ব্যাথার জন্য তলপেটে।
- লিভার ক্যান্সারের কথা।
- ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম।
- ডিসেপ্সিয়া।
- অন্ত্রে প্রদাহ জনিত সমস্যা।
- কোলন ক্যান্সার।
- পেরিটোনাইটিস।
- মাসান্টেরিক লিম্ফডেনাইটিস।
- অন্ত্রের ইস্কেওমিক সিন্ড্রোম।
- হার্নিয়া।
- কিডনিতে নকশা।
- ধর্মান্তরে প্রতিবন্ধকতা।
- অন্ত্রের ক্যান্সার
- এন্ড্রোমেট্রিওসিস
- ওভারিয়ান সিস্ট
- পেলভিক প্রদাহজনিত রোগ
- একটোপিক গ্রুপাবস্থা
- ওভারিয়ান ক্যান্সার
- জরায়ু ক্যান্সার
পেটে ব্যথার কারণ
লিভারের ব্যবস্থান কারণে চাপে ব্যাথা হয়, যেমন
- হেপাটাইটিস
- পিত্তথলিরন সমস্যা
- পিত্তলির প্রদাহ
- পিত্তথলির ক্যান্সার
উপসংহার
পেট ব্যাথা বা কোন ক্ষতিকারক কারণ হতে পারে না। কিন্তু বিষয়টি ব্যাথা হলে অবশ্যই অবহেলা করা হবে। দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যাথায় পরামর্শের পরামর্শ নিতে হলে, আপনার বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। তাই আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন এবং সঠিকভাবে চিকিৎসা করুন।
.jpeg)
Comments
Post a Comment